গুলিস্তান গোলাপ শাহ মাজার শহীদ নজরুল ইসলাম এভিনিউয়ে অবস্থিত। মাজারটির আগের নাম ছিল নিমগাছওয়ালা মাজার। মাজারটিতে দুইটি সমাধি আছে। মাজারে একটি অস্থায়ী মসজিদ ছিল যা ১৯৮০ দশকে ওসমানী উদ্যানের পাশে স্থানান্তর করা হয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় মাজারটি পরিচালনা করা হয়।
প্রতি বছর শাবান মাসের ১৯ তারিখ গোলাপ শাহ মাজারে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল উপলক্ষে হাজার হাজার ভক্তবৃন্দ উপস্থিত হয়। নবদম্পতিদের কাছে মাজারটি অনেক জনপ্রিয়। তারা বিশ্বাস করে যে মাজার জিয়ারত করলে নবদম্পতিদের জীবন সুখের হয়।
গুলিস্তান গোলাপ শাহ মাজারের ইতিহাস
গুলিস্তান গোলাপ শাহ মাজার উৎপত্তির ইতিহাস অজানা। তবে যানা যায় মাজারটিতে গোলাপ শাহ নামের একজন আধ্যাত্নিক নেতার সমাধি ছিল। যিনি ১৯০০ শতাব্দীতে ইয়েমেন অথবা ইরাক থেকে ব্রিটিশ ভারতে আসেন।
তবে ঐতিহাসিকরা মনে করেন মাজারের স্থানে অতীতে একজন অঙ্গাত ব্যাক্তির সমাধি ছিল। লোকেরা এই সমাধিকে আধ্যাত্নিক ব্যাক্তির সমাধি বলে বিশ্বাস করে জিয়ারত করা শুরু করে। গোলাপ শাহ নামক একজন ব্যাক্তি সমাধি দেখাশোনা করতেন। তার মৃত্যুর পর সমাধির পাশে তাকে সমাহিত করা হয়। এরপর থেকে লোকজন মাজারটিকে গোলাপ শাহ মাজার বলে ডাকতে শুরু করে।
২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুথানরর পর দেশের বিভিন্ন স্থানে মাজার ও দরগা ভাঙ্গার ঘটনা ঘটে। সেই সময় গোলাপ শাহ মাজার ভাঙ্গার কর্মসূচির জন্য ফেসবুকে একটি ইভেন্ট খোলা হয়। যেখানে প্রায় ২২ হাজার ব্যবহারকারী আগ্রহ প্রকাশ করে। মাজারটি ভেঙ্গে ফেলা হবে এমন আশস্কায় ১০ সেপ্টেম্বর মাজারের ভক্তগণ মাজার রক্ষায় সেখানে জিয়ারত কর্মসূচি নামক বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে।
গুলিস্তান গোলাপ শাহ মাজার কিভাবে যাবেন
গুলিস্তান ঢাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ জংশন। তাই রাজধানী ঢাকার যেকোনো স্থান থেকে খুব সহজে বাস/সিএনজি/প্রাইভেটকার/রিকশা করে গুলিস্তান যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন
গুলিস্তান থাকার জন্য অনেক হোটেল ও রিসোর্ট আছে। এর মধ্যে হোটেল সাদিক (01935-827021), হোটেল জার্মানি (01404-344765), হোটেল আল-মনসুর (01748-009650), শাদমান হোটেল ইন্টারন্যাশনাল (01315-681464) উল্লেখযোগ্য। গুলিস্তান আবাসিক হোটেল সমূহের ভাড়া ও মোবাইল নাম্বার জানুন।
কোথায় খাবেন
গুলিস্তান খাবার জন্য রাজধানী হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট, নাজ হোটেল এন্ড রেস্তোরাঁ, রাজ হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট উল্লেখযোগ্য।





