বান্দরবান জেলা সদর থেকে ৮৪ কিলোমিটার এবং থানচি সদর উপজেলা থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত তমা তুঙ্গী পর্যটন কেন্দ্র (Toma Tungi Parjatan Complex)। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৬ ইসিবির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে থানচি-রেমাক্রি-মদক-লিকরি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের সময় এই পর্যটন কেন্দ্রটি গড়ে তুলেছে। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় আড়াই হাজার ফুট উচ্চতায়।
তমা তুঙ্গীতে ট্যুরিস্ট ভিউ পয়েন্ট-১ ও ট্যুরিস্ট ভিউ পয়েন্ট-২ নামে পাশাপাশি দুইটি ভিউ পয়েন্ট আছে। ট্যুরিস্ট ভিউ পয়েন্ট-১ থেকে দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং, কেওক্রাডং ও ডিম পাহাড় দেখা যায়।
ট্যুরিস্ট ভিউ পয়েন্ট-২ তে উপরে উঠার জন্য সিঁড়ির ব্যবস্থা আছে। সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে পর্যটকেরা আনন্দ উপভোগ করে। পুরো পর্যটন কেন্দ্র এলাকায় রয়েছে বিশাল একটি গাছ।
দিক নির্ণয়ের জন্য এখানে ৩ টি ভিউ পয়েন্ট রয়েছে। যেখান থেকে পর্যটকেরা ৩ টি পাহাড় দেখতে পান। এখানে ঘুরে বেড়ানোর জন্য রয়েছে বিশাল জায়গা, বসার বেঞ্চ ও পানির ফোয়ারা। পর্যটন কেন্দ্রের চারপাশে সবুজ পাহাড় দেখে যেকারো মন ভালো হয়ে যাবে। ছবি তোলার জন্য আর্দশ জায়গা তমা তুঙ্গী। এজন্য ধীরে ধীরে পর্যটকদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তমা তুঙ্গী পর্যটন কেন্দ্র যাওয়ার উপায়
ঢাকার সায়েদাবাদ, গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে হানিফ পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন, সেন্টমার্টিন পরিবহনে চড়ে বান্দরবান যেতে পারবেন। এসি বাস ভাড়া জনপ্রতি ৯০০ টাকা, নন-এসি বাস ভাড়া জনপ্রতি ১,৮০০ টাকা। এছাড়া চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান যেতে পারবেন।
বান্দরবান জেলা সদরে নেমে বাস, জিপ, মাইক্রো, চাঁন্দের গাড়ি, মোটরসাইকেল করে থানচি উপজেলা শহরে যেতে হবে। বান্দরবান থেকে থানচি যেতে সময় লাগবে প্রায় ৩ ঘন্টা। থানচি থেকে ১৫-২০ মিনিটের পথ গেলে তমা তুঙ্গী পর্যটন কেন্দ্র।
কোথায় থাকবেন
থানচি বাজারে থাকার জন্য সাধারণ মানের ব্যবস্থা আছে। এছাড়া বিজিবি রিসোর্টে যোগাযোগ করে থাকতে পারেন। অথবা বান্দরবান হোটেল হিলটন, হোটেল প্লাজা বা জেলা পরিষদের ডাকবাংলোতে থাকতে পারেন।
কোথায় খাবেন
থানচি সাধারণ মানের খাবার পাবেন। এর মধ্যে মাছ, মুরগী ও সাদা ভাত। ভালো মানের খাবার খেতে বান্দরবান জেলা শহরে যেতে হবে।





