মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার সূর্যনগর দত্তপাড়ায় বিশ্ব রোডের পাশে ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী কলেজের কাছে অবস্থিত ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী কলেজ জামে মসজিদ। ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ি থেকে মসজিদটি দেখতে পাবেন। মাদারীপুর ১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নূরী আলম চৌধুরীর বিশেষ তত্ত্বাবধানে দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদ নির্মাণ করা হয়।
স্থপতি গাজী মোহাম্মদ হারুনের ডিজাইন করা এই মসজিদটি নির্মাণ করতে ৪০ জন শ্রমিক টানা ৩ বছর কাজ করেছেন। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে মসজিদের কাজ শেষ হলেও ২০২১ সালে মুসল্লীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
মসজিদটির সামনে ৯৬ ফুট উচ্চতার বিশাল দুইটি মিনার আছে। মসজিদের উপরে বড় একটি গম্বুজ এবং তার সামনে আরো তিনটি গম্বুজ আছে।
মসজিদে ভেতর প্রবেশ করার জন্য ২ টি বড় দরজা আছে। মসজিদে ভেতরে মূল গম্বুজের মাঝখানে বড় একটি ঝাড়বাতি, পুরো মসজিদ মিলে আছে বিশাল আকারের ৪ টি ফ্যান। মসজিদের ভেতরে একসাথে প্রায় ৮০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারে।
দৃষ্টিনন্দন ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী কলেজ জামে মসজিদটি দেখতে প্রতিদিন এখানে শতশত মানুষ উপস্থিত হয়। সকাল, বিকাল ও রাতে মসজিদটির আলাদা সৌন্দর্য দেখতে পাবেন। বিশেষ করে রাতে মসজিদে আলোকসজ্জা যেকোনো মানুষকে মুগ্ধ করবে।
তাই আমার পরামর্শ আপনি বিকালে মসজিদটি দেখতে যাবেন তাহলে রাতের অসাধারণ ভিউ দেখে আসতে পারবেন।
ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী কলেজ জামে মসজিদ যাওয়ার উপায়
ঢাকার সায়দাবাদ বা যাত্রাবাড়ী থেকে বরিশাল, খুলনা বা শরীয়তপুরগামী যেকোনো এসি/নন-এসি বাসে উঠে পড়ুন। চালক বা হেলপারকে বলবেন আপনাকে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার ‘সূর্যনগর’ স্ট্যান্ডে নামিয়ে দিতে। বাস থেকে নামলেই হাতের কাছে এক্সপ্রেসওয়ের পশ্চিম পাশে সংযোগ সড়কের সাথেই মসজিদটি দেখতে পাবেন।
নিজস্ব গাড়িতে ঢাকা থেকে পোস্তগোলা বা বাবুবাজার ব্রিজ হয়ে পদ্মা সেতু পার হন। এরপর এক্সপ্রেসওয়ে ধরে এগিয়ে যান। শিবচরের সূর্যনগর এলাকায় পৌঁছালে হাতের ডান দিকেই ইলিয়াস আহম্মেদ চৌধুরী কলেজ ক্যাম্পাস ও এই মসজিদটি চোখে পড়বে।
থাকা ও খাওয়া-দাওয়া
অধিকাংশ পর্যটক এক দিনের ট্যুরে গিয়ে আবার ফিরে আসে, রাত্রিযাপনের প্রয়োজন পড়ে না। খাওয়ার জন্য মাওয়া ঘাটের পদ্মার তাজা ইলিশ সেরা হতে পারে।





